চট্টগ্রামের পটিয়ায় অবস্থিত দেশের শীর্ষ দুই খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বনফুল ও ফুলকলি কারখানা পরিদর্শন করেছেন পটিয়ার এমপি এনামুল হক এনাম। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এ পরিদর্শনে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আনিচুর রহমান এবং পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. মঈনউদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে এমপি এনামুল হক এনাম বলেন, ফুলকলি কারখানায় ইটিপি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। গত দুইবার পরিদর্শনে যেসব অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল, তার তুলনায় প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে এবং ইটিপি বাস্তবায়নে অনেক দূর এগিয়েছে। তবে যেসব কাজ এখনো বাকি রয়েছে, তা দ্রুত সম্পন্ন করে জনদুর্ভোগ লাঘবের নির্দেশনা দেন তিনি।
অন্যদিকে বনফুল কারখানায় গিয়ে তিনি বিভিন্ন উৎপাদন প্রক্রিয়া ও ইটিপি কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করলেও কারখানার পরিবেশ আরও সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনিচুর রহমান বলেন, ফুলকলি কারখানায় এর আগে দুইবার পরিদর্শন করা হয়েছে। এটি তাদের নিয়মিত তদারকির অংশ। প্রথম দফায় প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করা হয়, দ্বিতীয় দফায় জরিমানা করা হয় এবং তৃতীয় দফার পরিদর্শনে দেখা গেছে যে পূর্বের অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. মঈনউদ্দীন জানান, বনফুলের সেমাই কারখানার ফ্লোরে কর্মচারীদের এপ্রোন পরা অবস্থায় পাওয়া যায়নি। এছাড়া ফ্লোর অত্যন্ত স্যাঁতসেঁতে ছিল। এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং ফ্লোর ম্যাট ব্যবহারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ফুলকলির ইটিপি এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে হাত-মুখ ধোয়ার পানি ছাড়া সব ধরনের বর্জ্য পানি ইটিপির মাধ্যমে নিষ্কাশন করা হয়।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শফিকুল ইসলাম এবং উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও বিএনপি নেতা মঈনুল আলম ছোটন।