বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামের বন্দর থানায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) বন্দর থানা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদের কার্যালয়ে সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সম্পাদক মিফত্যাহ উদ্দিন সিকদার টিটু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ইমরান হোসাইন চৌধুরী বাবলু, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলা ক্রিড়া সংস্থার যুগ্ন-সম্পাদক মোখলেছুর রহমান জাহিদ এবং চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের অন্যতম সংঘঠক মো. গোলাম নবী আপেল।
বন্দর থানা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন শাওনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় আরও বক্তব্য দেন বন্দর থানা যুবদলের সংগঠক মাইন উদ্দিন মইন, মোয়াজ্জেম হোসেন, তাজুল ইসলাম রুবেল, সুজন কুমার রয়, শাহিন ইকবাল, সাদ্দাম হোসেন তানিম, সোহেল ও শফিক।
এ সময় বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাম হোসেন উজ্জ্বল, ইমাম হোসেন কুদ্দুসসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ
আলোচনা সভায় বক্তারা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা এবং রাজনৈতিক সংগ্রামের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকা ও গণতন্ত্রের জন্য তাঁর সংগ্রাম স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ, দেশপ্রেম এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তারা।
নেতাকর্মীরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শ ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে ধারণ করে দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
দোয়া ও মোনাজাত
আলোচনা সভা শেষে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
পরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।