এবারের জলুসে দরবারে সিরিকোটের অন্যতম সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ্ মুদ্দাজিল্লুহুল আলী নেতৃত্বে দেবেন।
উপস্থিত থাকবেন দরবারের সাহেবজাদা হজরত সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ্ (মু. জি. আ.) এবং সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব শাহ্ (মু. জি. আ.)।
আওলাদে রাসূল আল্লামা হাফেজ সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.) ১৯৭৪ সালে এ জুলুসের প্রবর্তন করেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) নগরের একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান আনজুমানের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মনজুর আলম মনজু। তিনি বলেন, ৯ রবিউল আউয়াল ঢাকায় এবং ১২ রবিউল আউয়াল চট্টগ্রামে জশনে জুলুস হবে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পুলিশের পাশাপাশি আনজুমানের ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেন।
সঞ্চালনা করেন আনজুমান মুখপাত্র অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার। উপস্থিত ছিলেন আনজুমান এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের অ্যডিশনাল সেক্রেটারি মোহাম্মদ সামশুদ্দিন, অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি এস এম গিয়াস উদ্দিন সাকের, ফিন্যান্স সেক্রেটারি কামরুদ্দিন সবুর, প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি গোলাম মহিউদ্দিন, কেবিনেট সদস্য মোহাম্মদ হোসেন খোকন, পেয়ার মোহাম্মদ কমিশনার, মাহমুদ নেওয়াজ, শাহজাদ ইবনে দিদার, আবদুল হাই মাসুম, আনোয়ারুল হক, প্রফেসর কামাল উদ্দিন, মিডিয়া ডেস্ক এর যুগ্ম আহবায়ক আবু তালেব বেলাল ও সদস্য আবু নাছের মোহাম্মদ তৈয়ব আলী প্রমুখ।
আয়োজকরা আশা করছেন, এবারও জশনে জুলুসে বরাবরের মতোই জনসমুদ্রে রূপ নেবে।
জুলুসের সার্বিক শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তার যেন কোনোভাবেই বিঘ্ন না ঘটে এই জন্য পুলিশ প্রশাসন এবং নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবকদের দিকনির্দেশনা, বিশেষত আনজুমান ট্রাস্ট ঘোষিত নিয়ম কানুন মেনে চলতে সবাইকে উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে। জুলুছে ড্রামসেট নিয়ে প্রবেশ, নারীদের অংশগ্রহণ এবং খাবার নিক্ষেপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
জুলুসের রোড ম্যাপ
২৬ আগস্ট সকাল ৮টায় চট্টগ্রামের মুরাদপুরের ষোলশহর আলমগীর খানকা-এ কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া থেকে জুলুস শুরু হবে। নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন জুলুছ ময়দানে জমায়েত হয়ে দুপুর ১২টায় মাহফিল এবং জোহর নামাজ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।
জুলুস উপলক্ষে নগর ও বিভিন্ন উপজেলায় সাজ সাজ রব চলছে। আনজুমানের পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে সড়কদ্বীপ, বিভাজক, অলিগলি।