প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন, কোনো শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাইরে না থাকে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রত্যেক প্রাথমিক শিক্ষার্থীর জন্য পুষ্টিকর মিড-ডে মিল, বিনা মূল্যে ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগসহ বিভিন্ন সহায়তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে প্রতিটি এলাকার ‘উজ্জ্বল নক্ষত্র’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত ‘প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহি ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাথমিক শিক্ষার পরিবর্তনে যে স্বপ্ন ও দায়িত্ব আমাদের দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সরকার সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় দৃশ্যমান ও গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার আগামী কারিকুলামে ইংরেজি লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে স্পিকিং টেস্ট চালু করা হবে। শিক্ষার্থীদের তথ্য ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক করতে একটি সমন্বিত আইটি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হচ্ছে, যাতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি করে ইউনিক আইডি থাকবে। স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে ভুলত্রুটির চেয়ে এ নিয়ে অপপ্রচারই বেশি হচ্ছে দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটছে। অথচ মসজিদে সাধারণত এমন ঘটনা দেখা যায় না। এর পেছনে বড় কারণ হলো মানুষ মসজিদকে নিজের প্রতিষ্ঠান মনে করে, কিন্তু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অনেকেই নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধারণ করে না।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।