বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহণে এক ছাত্রী তার স্বামীকে পাশে বসিয়ে ফতুল্লায় আসার পথে অন্য ছাত্রীরা প্রতিবাদ জানান এবং পৃথক আসনে বসতে বলেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ঘটে।
একপর্যায়ে স্বামী-স্ত্রী এলাকার বন্ধুদের খবর দিলে তারা ফতুল্লার ভুইগড় বাসস্ট্যান্ডে বাসটি আটক করে ভাঙচুর চালায় এবং শিক্ষার্থীদের মারধর করে মোবাইল টাকা ছিনিয়ে নেয়।
বৃহস্পতিবার রাতের এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্রী যারারাফ রহমান রাশহা (২৪) অভিযোগ করেন। শুক্রবার স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করেছে পুলিশ।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহণ আনন্দ বাসে নারায়ণগঞ্জে আসার পথে বাসের নিয়ম ভেঙে ফতুল্লার ভুইগড় এলাকার দীপ্তি হোসাইন ও তার স্বামী মিকাত একত্রে পাশাপাশি বসেন। তখন যারারাফ রহমান রাশহা ছেলে মেয়েদের নির্ধারিত সিটে বসার জন্য অনুরোধ করেন। এরপর বাসে থাকা অন্য শিক্ষার্থীরাও তাদের আইডি কার্ড ও ই-মেইল আইডি দেখাতে বলেন। তারা বর্তমান শিক্ষার্থীদের মতো আইডি কার্ড দেখাতে পারেননি।
এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে রাত সাড়ে ৮টায় দীপ্তি হোসাইন ও তার স্বামী মিকাত মোবাইলে ফোন করে ভুইগড় বাসস্ট্যান্ডে প্রায় ৩০ জনের মতো সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন এনে বাস আটকিয়ে দেয়। তখন রাশহা, তার বন্ধু আহাম্মাদ রাইহান, তাদের কনিষ্ঠ সহপাঠী মসিহ মোস্তাকসহ অনেককেই এলোপাতাড়ি মেরে আহত করেন। এরপর তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নিয়ে বাসের পেছনের দুই পাশের একাধিক গ্লাস ভাঙচুর করেন।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। যারা হামলার ঘটনায় জড়িত তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।