ঢাকা    রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক পটিয়া

মীরসরাইয়ে পুলিশের অভিযানে ১৩০ কেজি গাঁজা ও ১০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার


প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

মীরসরাইয়ে পুলিশের অভিযানে ১৩০ কেজি গাঁজা ও ১০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার
মীরসরাইয়ে পুলিশের অভিযানে ১৩০ কেজি গাঁজা ও ১০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

মাদকের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের চলমান কঠোর অভিযানে মীরসরাইয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি টয়োটা নোয়া মাইক্রোবাস জব্দ করেছে মীরসরাই থানা পুলিশ। তবে পুলিশের ধাওয়ার মুখে গাড়িতে থাকা মাদক ব্যবসায়ীরা মাইক্রোবাসটি ফেলে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, মাদকের সরবরাহ, পরিবহন ও বেচাকেনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ, চেকপোস্ট ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (১৬ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মীরসরাই থানার একটি চৌকস আভিযানিক দল ইকোনমিক জোন রোডে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে সন্দেহজনক একটি টয়োটা নোয়া মাইক্রোবাসের গতিবিধি পুলিশের নজরে আসে। পুলিশ গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করলে চালক দ্রুতগতিতে পালানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশ ধাওয়া করলে মাইক্রোবাসে থাকা অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ীরা গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে পরিত্যক্ত মাইক্রোবাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে ১৩০ কেজি গাঁজা এবং ১০০ বোতল ফেনসিডিল (FAIRDYL) উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত নোয়া মাইক্রোবাসটিও জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের চালানটি দেশের অন্য কোনো এলাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে আনা হচ্ছিল। তবে মাদকের প্রকৃত উৎস, গন্তব্য এবং এর সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মীরসরাই থানায় মামলা করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানোর পাশাপাশি মাদকের উৎস এবং সরবরাহকারী চক্রের মূলহোতাদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে গোয়েন্দা নজরদারি, প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য বিশ্লেষণ, চেকপোস্ট, নিয়মিত অভিযান এবং আন্তঃথানা সমন্বয় আরও জোরদার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও পরিবহনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতেও কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

মীরসরাইয়ের এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের ঘটনায় আবারও স্পষ্ট হয়েছে—মাদকের চালান যত বড়ই হোক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে তা গন্তব্যে পৌঁছানো সহজ নয়। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দৈনিক পটিয়া

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬


মীরসরাইয়ে পুলিশের অভিযানে ১৩০ কেজি গাঁজা ও ১০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মাদকের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের চলমান কঠোর অভিযানে মীরসরাইয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি টয়োটা নোয়া মাইক্রোবাস জব্দ করেছে মীরসরাই থানা পুলিশ। তবে পুলিশের ধাওয়ার মুখে গাড়িতে থাকা মাদক ব্যবসায়ীরা মাইক্রোবাসটি ফেলে পালিয়ে যায়।


পুলিশ জানায়, মাদকের সরবরাহ, পরিবহন ও বেচাকেনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ, চেকপোস্ট ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (১৬ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মীরসরাই থানার একটি চৌকস আভিযানিক দল ইকোনমিক জোন রোডে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।


অভিযান চলাকালে রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে সন্দেহজনক একটি টয়োটা নোয়া মাইক্রোবাসের গতিবিধি পুলিশের নজরে আসে। পুলিশ গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করলে চালক দ্রুতগতিতে পালানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশ ধাওয়া করলে মাইক্রোবাসে থাকা অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ীরা গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যায়।


পরে পরিত্যক্ত মাইক্রোবাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে ১৩০ কেজি গাঁজা এবং ১০০ বোতল ফেনসিডিল (FAIRDYL) উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত নোয়া মাইক্রোবাসটিও জব্দ করা হয়েছে।


পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের চালানটি দেশের অন্য কোনো এলাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে আনা হচ্ছিল। তবে মাদকের প্রকৃত উৎস, গন্তব্য এবং এর সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।


এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মীরসরাই থানায় মামলা করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানোর পাশাপাশি মাদকের উৎস এবং সরবরাহকারী চক্রের মূলহোতাদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।


চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে গোয়েন্দা নজরদারি, প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য বিশ্লেষণ, চেকপোস্ট, নিয়মিত অভিযান এবং আন্তঃথানা সমন্বয় আরও জোরদার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও পরিবহনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতেও কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।


মীরসরাইয়ের এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের ঘটনায় আবারও স্পষ্ট হয়েছে—মাদকের চালান যত বড়ই হোক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে তা গন্তব্যে পৌঁছানো সহজ নয়। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


দৈনিক পটিয়া

সম্পাদক ও প্রকাশক: সৌরভ হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক পটিয়া
মীরসরাইয়ে পুলিশের অভিযানে ১৩০ কেজি গাঁজা ও ১০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার
0:00 0:00
1.0x