ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক পটিয়া

১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা


প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা
১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহ, ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও শান্তিকামী বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), পটিয়া  উপজেলার সদস্য ও সাবেক যুগ্ন আহবায়ক পটিয়া উপজেলা আপ বাংলাদেশ এর রবিউল হাসান মিসকাত।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, "রহমাতুল্লিল আলামিন, সাইয়্যিদুল মুরসালিন, খাতামুন নবিয়্যিন, ইমামুল আম্বিয়া, হাবিবুল্লাহ, নবী-ই-আকরাম হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.)-এর পবিত্র বিলাদত সমগ্র মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক অনন্য রহমতের স্মারক। ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের জন্য শুধু আনন্দ ও উৎসবের উপলক্ষ নয়; বরং মহানবী (সা.)-এর পবিত্র জীবন, সুন্নাহ, আদর্শ, মহান চরিত্র ও মানবিক শিক্ষাকে স্মরণ ও নিজেদের জীবনে ধারণ করার গুরুত্বপূর্ণ সময়।"

তিনি বলেন, মহানবী (সা.) তাঁর সমগ্র জীবন দিয়ে মানবতার জন্য সত্য, ন্যায়, ইনসাফ, সাম্য, দয়া, ক্ষমা, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর আদর্শ ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে ন্যায় ও মানবিকতার ভিত্তি সুদৃঢ় করার শিক্ষা দেয়।

রবিউল হাসান মিসকাত আরো বলেন, "মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ঈমানের গভীর অনুভূতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেই ভালোবাসার প্রকৃত প্রকাশ হলো তাঁর সুন্নাহ ও উত্তম আখলাক অনুসরণ করা, মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা, অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে শান্তি ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।"

তিনি আরও বলেন, "বর্তমান বিশ্বের অস্থিরতা, হিংসা, বিভাজন ও বৈষম্যের সময়ে মহানবী (সা.)-এর শান্তি

সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের শিক্ষা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।"

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রাম, পটিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত জশনে জুলুস, মিলাদ মাহফিল, দরুদ ও সালাম এবং ধর্মীয় আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারী সকল ওলামায়ে কেরাম, আশেকে রাসুল (সা.) ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "আসুন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করি। মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসাকে আমাদের চরিত্র ও কর্মে প্রতিফলিত করি। বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠের পাশাপাশি অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং মানুষের প্রতি দয়া, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধকে আরও সমুন্নত করি।"

তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ধারণ করে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে প্রতিটি মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে; যেখানে ন্যায়, ইনসাফ, সাম্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে।

পবিত্র এই দিনে তিনি দেশ ও জাতির শান্তি, নিরাপত্তা, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হুজুরে আকরাম (সা.)-এর ভালোবাসা, সুন্নাহ ও মহান আদর্শের ওপর অটল থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন। ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মোবারক।

 

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহ, ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও শান্তিকামী বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), পটিয়া  উপজেলার সদস্য ও সাবেক যুগ্ন আহবায়ক পটিয়া উপজেলা আপ বাংলাদেশ এর রবিউল হাসান মিসকাত।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, "রহমাতুল্লিল আলামিন, সাইয়্যিদুল মুরসালিন, খাতামুন নবিয়্যিন, ইমামুল আম্বিয়া, হাবিবুল্লাহ, নবী-ই-আকরাম হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.)-এর পবিত্র বিলাদত সমগ্র মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক অনন্য রহমতের স্মারক। ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের জন্য শুধু আনন্দ ও উৎসবের উপলক্ষ নয়; বরং মহানবী (সা.)-এর পবিত্র জীবন, সুন্নাহ, আদর্শ, মহান চরিত্র ও মানবিক শিক্ষাকে স্মরণ ও নিজেদের জীবনে ধারণ করার গুরুত্বপূর্ণ সময়।"

তিনি বলেন, মহানবী (সা.) তাঁর সমগ্র জীবন দিয়ে মানবতার জন্য সত্য, ন্যায়, ইনসাফ, সাম্য, দয়া, ক্ষমা, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর আদর্শ ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে ন্যায় ও মানবিকতার ভিত্তি সুদৃঢ় করার শিক্ষা দেয়।

রবিউল হাসান মিসকাত আরো বলেন, "মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ঈমানের গভীর অনুভূতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেই ভালোবাসার প্রকৃত প্রকাশ হলো তাঁর সুন্নাহ ও উত্তম আখলাক অনুসরণ করা, মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা, অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে শান্তি ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।"

তিনি আরও বলেন, "বর্তমান বিশ্বের অস্থিরতা, হিংসা, বিভাজন ও বৈষম্যের সময়ে মহানবী (সা.)-এর শান্তি

সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের শিক্ষা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।"

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রাম, পটিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত জশনে জুলুস, মিলাদ মাহফিল, দরুদ ও সালাম এবং ধর্মীয় আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারী সকল ওলামায়ে কেরাম, আশেকে রাসুল (সা.) ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "আসুন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করি। মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসাকে আমাদের চরিত্র ও কর্মে প্রতিফলিত করি। বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠের পাশাপাশি অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং মানুষের প্রতি দয়া, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধকে আরও সমুন্নত করি।"

তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ধারণ করে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে প্রতিটি মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে; যেখানে ন্যায়, ইনসাফ, সাম্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে।

পবিত্র এই দিনে তিনি দেশ ও জাতির শান্তি, নিরাপত্তা, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হুজুরে আকরাম (সা.)-এর ভালোবাসা, সুন্নাহ ও মহান আদর্শের ওপর অটল থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন। ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মোবারক।

দৈনিক পটিয়া

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহ, ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও শান্তিকামী বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), পটিয়া  উপজেলার সদস্য ও সাবেক যুগ্ন আহবায়ক পটিয়া উপজেলা আপ বাংলাদেশ এর রবিউল হাসান মিসকাত।


এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, "রহমাতুল্লিল আলামিন, সাইয়্যিদুল মুরসালিন, খাতামুন নবিয়্যিন, ইমামুল আম্বিয়া, হাবিবুল্লাহ, নবী-ই-আকরাম হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.)-এর পবিত্র বিলাদত সমগ্র মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক অনন্য রহমতের স্মারক। ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের জন্য শুধু আনন্দ ও উৎসবের উপলক্ষ নয়; বরং মহানবী (সা.)-এর পবিত্র জীবন, সুন্নাহ, আদর্শ, মহান চরিত্র ও মানবিক শিক্ষাকে স্মরণ ও নিজেদের জীবনে ধারণ করার গুরুত্বপূর্ণ সময়।"


তিনি বলেন, মহানবী (সা.) তাঁর সমগ্র জীবন দিয়ে মানবতার জন্য সত্য, ন্যায়, ইনসাফ, সাম্য, দয়া, ক্ষমা, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর আদর্শ ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে ন্যায় ও মানবিকতার ভিত্তি সুদৃঢ় করার শিক্ষা দেয়।


রবিউল হাসান মিসকাত আরো বলেন, "মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ঈমানের গভীর অনুভূতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেই ভালোবাসার প্রকৃত প্রকাশ হলো তাঁর সুন্নাহ ও উত্তম আখলাক অনুসরণ করা, মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা, অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে শান্তি ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।"


তিনি আরও বলেন, "বর্তমান বিশ্বের অস্থিরতা, হিংসা, বিভাজন ও বৈষম্যের সময়ে মহানবী (সা.)-এর শান্তি


সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের শিক্ষা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।"


পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রাম, পটিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত জশনে জুলুস, মিলাদ মাহফিল, দরুদ ও সালাম এবং ধর্মীয় আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারী সকল ওলামায়ে কেরাম, আশেকে রাসুল (সা.) ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।


তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "আসুন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করি। মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসাকে আমাদের চরিত্র ও কর্মে প্রতিফলিত করি। বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠের পাশাপাশি অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং মানুষের প্রতি দয়া, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধকে আরও সমুন্নত করি।"


তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ধারণ করে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে প্রতিটি মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে; যেখানে ন্যায়, ইনসাফ, সাম্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে।


পবিত্র এই দিনে তিনি দেশ ও জাতির শান্তি, নিরাপত্তা, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।


মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হুজুরে আকরাম (সা.)-এর ভালোবাসা, সুন্নাহ ও মহান আদর্শের ওপর অটল থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন। ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মোবারক।

 


পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহ, ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও শান্তিকামী বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), পটিয়া  উপজেলার সদস্য ও সাবেক যুগ্ন আহবায়ক পটিয়া উপজেলা আপ বাংলাদেশ এর রবিউল হাসান মিসকাত।


এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, "রহমাতুল্লিল আলামিন, সাইয়্যিদুল মুরসালিন, খাতামুন নবিয়্যিন, ইমামুল আম্বিয়া, হাবিবুল্লাহ, নবী-ই-আকরাম হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.)-এর পবিত্র বিলাদত সমগ্র মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক অনন্য রহমতের স্মারক। ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের জন্য শুধু আনন্দ ও উৎসবের উপলক্ষ নয়; বরং মহানবী (সা.)-এর পবিত্র জীবন, সুন্নাহ, আদর্শ, মহান চরিত্র ও মানবিক শিক্ষাকে স্মরণ ও নিজেদের জীবনে ধারণ করার গুরুত্বপূর্ণ সময়।"


তিনি বলেন, মহানবী (সা.) তাঁর সমগ্র জীবন দিয়ে মানবতার জন্য সত্য, ন্যায়, ইনসাফ, সাম্য, দয়া, ক্ষমা, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর আদর্শ ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে ন্যায় ও মানবিকতার ভিত্তি সুদৃঢ় করার শিক্ষা দেয়।


রবিউল হাসান মিসকাত আরো বলেন, "মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ঈমানের গভীর অনুভূতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেই ভালোবাসার প্রকৃত প্রকাশ হলো তাঁর সুন্নাহ ও উত্তম আখলাক অনুসরণ করা, মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা, অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে শান্তি ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।"


তিনি আরও বলেন, "বর্তমান বিশ্বের অস্থিরতা, হিংসা, বিভাজন ও বৈষম্যের সময়ে মহানবী (সা.)-এর শান্তি


সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের শিক্ষা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।"


পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রাম, পটিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত জশনে জুলুস, মিলাদ মাহফিল, দরুদ ও সালাম এবং ধর্মীয় আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারী সকল ওলামায়ে কেরাম, আশেকে রাসুল (সা.) ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।


তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "আসুন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করি। মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসাকে আমাদের চরিত্র ও কর্মে প্রতিফলিত করি। বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠের পাশাপাশি অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং মানুষের প্রতি দয়া, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধকে আরও সমুন্নত করি।"


তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ধারণ করে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে প্রতিটি মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে; যেখানে ন্যায়, ইনসাফ, সাম্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে।


পবিত্র এই দিনে তিনি দেশ ও জাতির শান্তি, নিরাপত্তা, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।


মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হুজুরে আকরাম (সা.)-এর ভালোবাসা, সুন্নাহ ও মহান আদর্শের ওপর অটল থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন। ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মোবারক।


দৈনিক পটিয়া

সম্পাদক ও প্রকাশক: সৌরভ হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক পটিয়া
১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা
0:00 0:00
1.0x