আজকে আমি খুব গর্বের সাথে বলতে চাই, পটিয়া এখন আর সেই আগের পটিয়া নেই। পটিয়া আজ উন্নয়নের রোল মডেল। সৌন্দর্য, পরিকল্পনা আর মানুষের জীবনমানে পটিয়া ইতিমধ্যে সবার কাছে উদাহরণ।
আমরা শুনছি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের একটি মাস্টার প্ল্যানের কথা। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, যদি সেই মাস্টার প্ল্যানের বাইরে পটিয়া থাকে, তাহলে সেটাই পটিয়ার জন্য ভালো।
কেন ভালো?
কারণ পটিয়ার নিজস্ব একটা পরিচয় আছে। পটিয়ার মাটি, পটিয়ার মানুষ, পটিয়ার ঐতিহ্য আলাদা। আমরা চাই না অপরিকল্পিত নগরায়নের নামে পটিয়ার সৌন্দর্য নষ্ট হোক। আমরা চাই না যানজট, দূষণ আর অপরিকল্পিত বিল্ডিং দিয়ে পটিয়াকে ভরে ফেলা হোক।
আমি বিশ্বাস করি, পটিয়া হবে আগামী দিনের চট্টগ্রামের গুলশান।
গুলশানের মতো পরিকল্পিত, গুলশানের মতো সুন্দর, গুলশানের মতো আধুনিক — কিন্তু গুলশানের চেয়েও বেশি প্রাণবন্ত হবে আমাদের পটিয়া।
এখানে থাকবে প্রশস্ত রাস্তা, সবুজ পার্ক, আধুনিক হাসপাতাল, মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর নিরাপদ আবাসন। এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য হবে, শিল্প হবে, কিন্তু পরিবেশের ক্ষতি করে না।
আমরা চাই পটিয়ার উন্নয়ন হোক পটিয়াবাসীর মতামত নিয়ে। বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া কোনো প্ল্যান আমরা মানবো না। পটিয়ার ভবিষ্যৎ ঠিক করবে পটিয়ার মানুষ।
তাই আমি সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাই, *পটিয়াকে স্বতন্ত্রভাবে, আলাদা পরিকল্পনায় গড়ে তোলা হোক*। পটিয়াকে "চট্টগ্রামের গুলশান" হিসেবে গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট ও সহযোগিতা দিন।
আমরা কথা দিচ্ছি, জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা পটিয়াকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যাবো, যেখানে সারাদেশ তাকিয়ে বলবে — "উন্নয়নের মডেল হলো পটিয়া"।