ঢাকা    রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক পটিয়া

দিনের লাইসেন্স দিনে দিতে হবে, ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক


প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

দিনের লাইসেন্স দিনে দিতে হবে, ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। গ্রাফিক্স: ইত্তেফাক

ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য টাকা জমা দেওয়ার পরও মাসের পর মাস লাইসেন্স না পাওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।

তিনি বলেন, যেদিন আবেদন ও টাকা জমা হবে, সেদিনই ট্রেড লাইসেন্স দিতে হবে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো কর্মকর্তা বা বিভাগ ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) মতিঝিল কার্যালয়ে ‘স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, আইনশৃঙ্খলা, যানজট পরিস্থিতির উন্নয়ন ও ট্রেড লাইসেন্স সেবা’ শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

ডিসিসিআই ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে লাইসেন্স নবায়ন সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন ও নবায়নকৃত ট্রেড লাইসেন্স বিতরণ করা হয়।

সভায় মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী ভুট্টো অভিযোগ করেন, কয়েক মাস ধরে টাকা জমা দেওয়ার পরও ট্রেড লাইসেন্স পাচ্ছেন না তারা।

এমন অভিযোগ ওঠায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান।

আব্দুস সালাম আরও বলেন, দিনের লাইসেন্স দিনে দিতে হবে। যদি এই ব্যাপারে কোনো ব্যর্থতা ঘটে, যে অফিসার করছে, যে সেকশন করছে, আপনারা আমার কাছে রিপোর্ট করবেন। সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ এ ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘ট্যাক্স বাড়ানোর প্রস্তাব আসছিল, ট্রেড লাইসেন্সের ফি বাড়ানোর প্রস্তাব আসছিল, সাইনবোর্ডের ফি বাড়ানোর প্রস্তাব আসছিল। কিন্তু আমি সবগুলোই নাকচ করে দিয়েছি। কোনোটা কার্যকর করতে দেইনি। তারপরও এখানে এসে কেন আমাকে শুনতে হবে- গতবার এত টাকা দিয়েছি, এবার বেশি দিতে হচ্ছে কেন?’

এ সময় তিনি ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানে শহরের সড়কবাতি নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, ঢাকা শহরের যেসব লাইটপোস্টে বিদ্যুতের সংযোগ ও বাতি রয়েছে, সেসব বাতি অবশ্যই জ্বলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, লাইটপোস্টে যদি বিদ্যুতের লাইন থাকে, লাইট থাকে, তাহলে সে লাইট জ্বলতে হবে। এ ব্যাপারেও কোনো ছাড় নেই। এ ধরনের সমস্যা থাকলে এলাকাভিত্তিক গণশুনানি ও হিয়ারিংয়ের মাধ্যমে অভিযোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। বিষয়গুলো দেখতে রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তাদেরও নির্দেশ দেন।

ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় ব্যবসায়ীদের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নির্দিষ্ট অর্থ পরিশোধ করতে হয় উল্লেখ করে আব্দুস সালাম বলেন, এ অর্থ সিটি করপোরেশন পায় না। ব্যবসায়ীদের উচিত সরকারের কাছে এ ফি কমানোর দাবি জানানো।

তিনি বলেন, লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে আমাদের এনবিআরকে তিন হাজার টাকা দিতে হয়। এনবিআরকে দিতে হয়, এটা কিন্তু সিটি করপোরেশন পায় না। আপনারা সরকারের কাছে দাবি করতে পারেন, তারা যেন এটা কমায়। তাহলে আপনাদের অনেক টাকা কমে আসবে।

পুরান ঢাকাকে ব্যবসার কেন্দ্র হিসেবে ধরে রাখতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, একসময় মতিঝিল ছিল ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র। পরে ব্যবসা কারওয়ান বাজার, গুলশান, বনানী হয়ে এখন উত্তরা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যবসায়ীরা পুরান ঢাকা ছেড়ে চলে গেলে এ এলাকার অবস্থার কী হবে, এ প্রশ্নও রাখেন তিনি। 

‘ব্যবসায়ীরা আজ দেশের প্রাণ। ব্যবসায়ী না থাকলে দেশ সামনের দিকে যাবে না। ব্যবসা না হলে সরকার টাকা পাবে কোথা থেকে, দেশ চলবে কীভাবে?’—বলেন আব্দুস সালাম।

তিনি জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স এখনও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তুলনায় কম। দায়িত্ব নেওয়ার পর হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানোর প্রস্তাব এলেও তিনি তা কার্যকর করেননি।

তবে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের ব্যয় অনেক বেশি। প্রতি মাসে প্রায় ২৫ কোটি টাকা শুধু বেতন বাবদ ব্যয় হয়। সেই তুলনায় রাজস্ব আয় বাড়ানো সম্ভব হয়নি।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান বলেন, দিনের লাইসেন্স দিনে দেওয়ার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। প্রতিদিনের লাইসেন্স প্রতিদিনই দেওয়া হচ্ছে এবং কোনো লাইসেন্স পেন্ডিং নেই বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, যিনি আজকে নবায়নের জন্য আসবেন, টাকা জমা দেবেন, আজকেই সেটা ইস্যু হবে। এ জন্য রাত ১০টা, ১২টা এমনকি ১টাও বাজে, আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

খয়বর রহমান বলেন, কোনো ব্যবসায়ীকে হয়রানি বা কষ্ট দেওয়ার সুযোগ নেই। এরপরও কোনো ব্যবসায়ী তিন মাস ধরে লাইসেন্স না পাওয়ার অভিযোগ করলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ট্রেড লাইসেন্স ব্যবসা পরিচালনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক দলিল। তবে নিবন্ধন ও নবায়ন প্রক্রিয়ায় তথ্যের ঘাটতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে অস্পষ্টতা, একাধিকবার অফিসে যাতায়াত এবং বিভিন্ন ধাপে সময়ক্ষেপণের কারণে ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হন। 

তিনি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি নাগরিক ও ব্যবসায়িক সেবার ডিজিটালাইজেশন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিষয় : রাজধানী

দৈনিক পটিয়া

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬


দিনের লাইসেন্স দিনে দিতে হবে, ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য টাকা জমা দেওয়ার পরও মাসের পর মাস লাইসেন্স না পাওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।

তিনি বলেন, যেদিন আবেদন ও টাকা জমা হবে, সেদিনই ট্রেড লাইসেন্স দিতে হবে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো কর্মকর্তা বা বিভাগ ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) মতিঝিল কার্যালয়ে ‘স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, আইনশৃঙ্খলা, যানজট পরিস্থিতির উন্নয়ন ও ট্রেড লাইসেন্স সেবা’ শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

ডিসিসিআই ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে লাইসেন্স নবায়ন সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন ও নবায়নকৃত ট্রেড লাইসেন্স বিতরণ করা হয়।

সভায় মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী ভুট্টো অভিযোগ করেন, কয়েক মাস ধরে টাকা জমা দেওয়ার পরও ট্রেড লাইসেন্স পাচ্ছেন না তারা।

এমন অভিযোগ ওঠায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান।

আব্দুস সালাম আরও বলেন, দিনের লাইসেন্স দিনে দিতে হবে। যদি এই ব্যাপারে কোনো ব্যর্থতা ঘটে, যে অফিসার করছে, যে সেকশন করছে, আপনারা আমার কাছে রিপোর্ট করবেন। সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ এ ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘ট্যাক্স বাড়ানোর প্রস্তাব আসছিল, ট্রেড লাইসেন্সের ফি বাড়ানোর প্রস্তাব আসছিল, সাইনবোর্ডের ফি বাড়ানোর প্রস্তাব আসছিল। কিন্তু আমি সবগুলোই নাকচ করে দিয়েছি। কোনোটা কার্যকর করতে দেইনি। তারপরও এখানে এসে কেন আমাকে শুনতে হবে- গতবার এত টাকা দিয়েছি, এবার বেশি দিতে হচ্ছে কেন?’

এ সময় তিনি ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানে শহরের সড়কবাতি নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, ঢাকা শহরের যেসব লাইটপোস্টে বিদ্যুতের সংযোগ ও বাতি রয়েছে, সেসব বাতি অবশ্যই জ্বলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, লাইটপোস্টে যদি বিদ্যুতের লাইন থাকে, লাইট থাকে, তাহলে সে লাইট জ্বলতে হবে। এ ব্যাপারেও কোনো ছাড় নেই। এ ধরনের সমস্যা থাকলে এলাকাভিত্তিক গণশুনানি ও হিয়ারিংয়ের মাধ্যমে অভিযোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। বিষয়গুলো দেখতে রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তাদেরও নির্দেশ দেন।

ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় ব্যবসায়ীদের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নির্দিষ্ট অর্থ পরিশোধ করতে হয় উল্লেখ করে আব্দুস সালাম বলেন, এ অর্থ সিটি করপোরেশন পায় না। ব্যবসায়ীদের উচিত সরকারের কাছে এ ফি কমানোর দাবি জানানো।

তিনি বলেন, লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে আমাদের এনবিআরকে তিন হাজার টাকা দিতে হয়। এনবিআরকে দিতে হয়, এটা কিন্তু সিটি করপোরেশন পায় না। আপনারা সরকারের কাছে দাবি করতে পারেন, তারা যেন এটা কমায়। তাহলে আপনাদের অনেক টাকা কমে আসবে।

পুরান ঢাকাকে ব্যবসার কেন্দ্র হিসেবে ধরে রাখতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, একসময় মতিঝিল ছিল ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র। পরে ব্যবসা কারওয়ান বাজার, গুলশান, বনানী হয়ে এখন উত্তরা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যবসায়ীরা পুরান ঢাকা ছেড়ে চলে গেলে এ এলাকার অবস্থার কী হবে, এ প্রশ্নও রাখেন তিনি। 

‘ব্যবসায়ীরা আজ দেশের প্রাণ। ব্যবসায়ী না থাকলে দেশ সামনের দিকে যাবে না। ব্যবসা না হলে সরকার টাকা পাবে কোথা থেকে, দেশ চলবে কীভাবে?’—বলেন আব্দুস সালাম।

তিনি জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স এখনও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তুলনায় কম। দায়িত্ব নেওয়ার পর হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানোর প্রস্তাব এলেও তিনি তা কার্যকর করেননি।

তবে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের ব্যয় অনেক বেশি। প্রতি মাসে প্রায় ২৫ কোটি টাকা শুধু বেতন বাবদ ব্যয় হয়। সেই তুলনায় রাজস্ব আয় বাড়ানো সম্ভব হয়নি।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান বলেন, দিনের লাইসেন্স দিনে দেওয়ার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। প্রতিদিনের লাইসেন্স প্রতিদিনই দেওয়া হচ্ছে এবং কোনো লাইসেন্স পেন্ডিং নেই বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, যিনি আজকে নবায়নের জন্য আসবেন, টাকা জমা দেবেন, আজকেই সেটা ইস্যু হবে। এ জন্য রাত ১০টা, ১২টা এমনকি ১টাও বাজে, আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

খয়বর রহমান বলেন, কোনো ব্যবসায়ীকে হয়রানি বা কষ্ট দেওয়ার সুযোগ নেই। এরপরও কোনো ব্যবসায়ী তিন মাস ধরে লাইসেন্স না পাওয়ার অভিযোগ করলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ট্রেড লাইসেন্স ব্যবসা পরিচালনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক দলিল। তবে নিবন্ধন ও নবায়ন প্রক্রিয়ায় তথ্যের ঘাটতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে অস্পষ্টতা, একাধিকবার অফিসে যাতায়াত এবং বিভিন্ন ধাপে সময়ক্ষেপণের কারণে ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হন। 

তিনি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি নাগরিক ও ব্যবসায়িক সেবার ডিজিটালাইজেশন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


দৈনিক পটিয়া

সম্পাদক ও প্রকাশক: সৌরভ হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক পটিয়া
দিনের লাইসেন্স দিনে দিতে হবে, ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক
0:00 0:00
1.0x